শনিবার, জানুয়ারি ১, ২০২২




বাংলাদেশের ফুটবলারদের মধ্যে কার পারিশ্রমিক কত

ক্রিড়া প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে দামি ফুটবলারের নাম কী? হয়তো অনেকেই বলবেন জামাল ভূঁইয়া; কিন্তু ট্রান্সফার মার্কেটের চোখে সবচেয়ে দামি তিন ফুটবলারের মধ্যে নেই এই ডিফেন্ডারের নাম।

বাস্তবতার আলোকে দেখে নেওয়া যাক বাংলাদেশের সবচেয়ে দামি ফুটবলার কারা।

আনিসুর রহমান
২৪ বছর বয়সী গোলকিপার দুই মৌসুম ধরে খেলছেন বসুন্ধরা কিংসে। ক্লাবের হয়ে দুর্দান্ত ফর্ম তাকে জাতীয় দলের গোলপোস্টেও জায়গা করে দিয়েছে। ট্রান্সফার মার্কেটের চোখে আনিসুর শুধু বাংলাদেশের সবচেয়ে দামি গোলকিপারই নন, সবচেয়ে দামি ফুটবলারও। গত এক বছরে তার মূল্য ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

রাসেল মাহমুদ
রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি থেকে সম্প্রতি শেখ রাসেলে এসেছেন এই গোলকিপার।  ২৭ বছর বয়সী এই গোলকিপারের মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

শহীদুল আলম
আবাহনীর গোলপোস্টে পরিচিত মুখ শহীদুল। এই গোলকিপারের পারিশ্রমিক মার্চে বেড়েছিল, কিন্তু বছর শেষ করেছেন ২০২০ সালের মূল্যেই।  তার মূল্য—  ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

আশরাফুল ইসলাম
শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের হয়ে খেলা জাতীয় দলের এই গোলকিপারের মূল্য ৯৭ লাখ টাকা।

মোহাম্মদ নাঈম
চট্টগ্রাম আবাহনী থেকে এ বছর শেখ জামালে এসেছেন নাঈম। এ বছর পারফরম্যান্স দিয়ে নিজের মূল্য দ্বিগুণ করে নিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই গোলকিপার।  তার মূল্য- ৯৭ লাখ টাকা।

ইয়াসিন আরাফাত
১৮ বছর বয়সী লেফটব্যাককে দলে টেনেছে বসুন্ধরা কিংস। ট্রান্সফার মার্কেটের চোখে দারুণ ফর্মে থাকা এই ডিফেন্ডারের মূল্য ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

তপু বর্মণ
বাংলাদেশের সেরা ডিফেন্ডার বলে বিবেচিত ২৭ বছর বয়সী এই সেন্টারব্যাক। ট্রান্সফার মার্কেটের হিসাবে বসুন্ধরা কিংসের এই তারকা ফুটবলারের বাজার মূল্য ১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

রহমত মিয়া
২২ বছর বয়সী ফুলব্যাক এ বছরই যোগ দিয়েছেন শেখ রাসেলে।  তার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

মনির আলম
চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে খেলার ২১ বছর বয়সী মনির এবারের মৌসুমে পারফরম্যান্স দিয়ে নিজের পারিশ্রমিক বাড়িয়ে নিয়েছেন। তার বর্তমান বাজার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

জালাল মিয়া
চট্টগ্রাম আবাহনীর ২৭ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারের পারিশ্রমিক ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।
জামাল ভূঁইয়া
বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ক্লাব ফুটবলে খেলেন সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডে।  তার বাজার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

সোহেল রানা
নতুন মৌসুমে সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া এই মিডফিল্ডার আবাহনী ছেড়ে বসুন্ধরা কিংসে যোগ দিয়েছেন।  তার বাজার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম
বসুন্ধরা কিংসের গতিশীল এই মিডফিল্ডারের দাম মৌসুমের মাঝপথে কিছুটা কমে গিয়েছিল।  শেষভাগে আবার নিজের পুরনো মূল্যে ফিরেছেন ইব্রাহিম।  তার বাজার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

জমির উদ্দিন
বাংলাদেশ পুলিশের হয়ে খেলে আলো কেড়েছেন এই মিডফিল্ডার; চলতি মৌসুমেই এসেছেন সাইফে। এক মৌসুমেই নিজের মূল্য বাড়িয়ে নিয়েছেন।  তার বাজার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাস
শেখ রাসেলের হয়ে খেলা হেমন্ত বছর শুরু করেছিলেন যে মূল্যে, বছর শেষও করেছেন তার দ্বিগুণ মূল্যে।  তার বাজার মূল্য ৯৭ লাখ টাকা।

রাকিব হোসেন
চট্টগ্রাম আবাহনী থেকে আবাহনী লিমিটেডে যোগ দেওয়া দ্রুতগতির উইঙ্গার এবার নিজের মূল্য বাড়িয়ে নিয়েছেন।  তার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

সুমন রেজা
উত্তর বারিধারার হয়ে ১০টি গোল করে জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন সুমন।  এখন তিনি বসুন্ধরার খেলোয়াড়। সম্প্রতি তিনি নিজের মূল্য বাড়িয়েও নিয়েছেন।  তার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

মারাজ হোসেন
আচমকাই লাইমলাইটে চলে এসেছেন সাইফ স্পোর্টিংয়ের এই স্ট্রাইকার। তার মূল্য ৯৭ লাখ টাকা।

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ
২৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড সর্বশেষ প্রিমিয়ার লিগে ৫ গোল করেছেন। বাংলাদেশের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের অবস্থা বিবেচনায় যা দুর্দান্ত। ট্রান্সফার মার্কেটে ২৫ হাজার ইউরো মূল্য বেড়েছে শেখ রাসেলের এই ফুটবলারের।  তার মূল্য ৯৭ লাখ টাকা।

মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ
বয়সভিত্তিক দলে আলো ছড়ানো এই উইঙ্গার গত দেড় বছরে পেশাদার ফুটবলেও দারুণ করছেন। সাইফ স্পোর্টিংয়ের এই ফুটবলার এবার নিজের দাম বাড়িয়ে নিয়েছেন।  তার মূল্য ৯৭ লাখ টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category