রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯




কৃতজ্ঞ হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ, কৃতজ্ঞ ওসি আলমগীর হোসেন রনি

শামমুজ্জামান ডলার ও এসএম মিরাজ মুন্সিঃ মাকসুদুল মাহমুদ আকাশ। বাড়ী মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নে। বাবা জাকির হোসেন। মাহমুদ লেখাপড়া করে হাজিগঞ্জ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে। ১৯ অক্টোবর শনিবার বিকাল থেকে হাজীগঞ্জ এলাকা থেকে মাহমুদকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিলনা। মোবাইল বন্ধ।সন্ধ্যার পর রাত বাড়ছে, বাড়ছে পরিবারের উৎকন্ঠা। মাহমুদের বন্ধু-বান্ধব-স্বজন মুঠোফোনে একে একে ফোন করেও কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। সাথে সাথে যোগাযোগ হয় হাজীগঞ্জ থানার ওসি আলমগীর হোসেন রনি এর সাথে। উনি মাহমুদের মোবাইল নাম্বর ট্যাটিং করে দেখেন সন্ধ্যা ৬ টায় মোবাইলটির সর্বশেষ অবস্থান হাজীগঞ্জ এলাকাতেই ছিল। রাত এখন গভীর হলেও, চারদিকে নিড়ব নিম্তব্ধতা কিন্তু মাহমুদের পরিবারের কারো চোখে ঘুম নেই।

রবিবার সকালে মাহমুদের বাবা-চাচারা হাজীগঞ্জ থানায় নিখাঁজের ডায়েরী করতে ব্যস্ত। থানায় মিসিং ডায়েরী করার কাজ প্রায় শেষ। সহযোগীতা করছেন থানার ডিউটি অফিসার এসআই জহিরুল ইসলাম। হঠাৎ অপরিচিত নম্বর থেকে ছেলে বাবাকে ফোন করে কাঁন্না করতে করতে জানায় আমি মাহমুদ। আমি কোথায় আসছি, কিভাবে আসছি কিছুই জানিনা। শরীর মারাত্বক দুর্বল, আমার মোবাইল- টাকা কিছুই নাই। পরে কথা হয় মোবাইল মালিকের সাথে। মোবাইল মালিকের নাম শাহাবুদ্দিন। সে পেশায় রাজমিস্ত্রী।এ মূহুর্তে কাজ করছে মাওয়া ফেরি ঘাট সংলগ্ন মসজিদ নির্মানে।ওখানি সে মাহমুদকে পায়। এখন তার কাছেই আছে।
হাজিগঞ্জ থানার ওসি আলমগীর হোসেন রনি ওই নম্বরটির অবস্থান মাওয়া ফেরিঘাট এলাকাতেই যে আছে তা ট্যাকিং করে নিশ্চিত হন। পরে একাধিকবার মাওয়া ফেরিঘাট এলাকার থানা পুলিশ, ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশসহ আশেপাশের পুলিশ প্রশাসনের সহযোগীতা নেন মাহমুদতে নিরাপদে অভিভাবকের হাতে পৌঁছে দেয়ার জন্য। এ ব্যাপারে আরো সহযোগীতা করেন হাজীগঞ্জ থানার ওসি(তদন্ত) আব্দুর রশিদ ও এসআই মিজানুর রহমান।

পরিবারটি মাকসুদুল মাহমুদ আকাশকে ফিরেপেয়ে আন্তরিকপূর্ন সহযোগীতার কারনে হাজিগঞ্জ থানা পুলিশ ও ওসি আলমগীর হোসেনর রনির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category