রবিবার, ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯




৯ ম্যাচ পর টি-টোয়েন্টিতে হার পাকিস্তানের

ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ ওয়ানডে, টেস্ট এই দুই ফরমেটে যেমন হোক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে অপ্রতিরোধ্যই হয়ে উঠেছিল পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি ফরমেটের র‌্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে অবস্থান করছে ২০০৯ সালের বিশ্ব টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়নরা। ক্রিকেটের এ সংস্করণে টানা ৯ ম্যাচ জিতে রীতিমতো উড়ছিল তারা। তবে তাদের এ জয়রথ থামিয়ে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ানডে সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে জেতার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ রানের দুর্দান্ত জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার করা ১৯২ রানের পাহাড় তাড়া করতে নেমে ১৮৬ রানে থামে পাকিস্তান। চার ক্যাচ ও দুই রান আউট করে ম্যাচসেরা হন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলার।
সবমিলিয়ে নয় ম্যাচ পর হারলেও, রান তাড়া করে ম্যাচে টানা ১১ জয়ের পর ব্যর্থ হলো পাকিস্তান।

সবশেষ ২০১৬ সালের মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৯৩ রান তাড়া করতে নেমে ২১ রানে হেরেছিল তারা। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করে টানা ১১ ম্যাচ জেতার পর শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে পরাজিত হল টি-টোয়েন্টির র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকা দলটি। সময়ের হিসেবে প্রায় তিন বছর পর রান তাড়া করে ম্যাচে হারলো পাকিস্তান।
ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে নিজেদের ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস এবং ওপেনার রেজা হেন্ডরিকস দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ১৩৪ রান। এক সময় মনে হচ্ছিল সহজেই দুইশ’ ছাড়াবে দলীয় সংগ্রহ। কিন্তু ১৬তম ওভারে তিন বলের ব্যবধানে হেন্ডরিকস ও ডু প্লেসিসকে আউট করে সেটি হতে দেননি উসমান শিনওয়ারি। আউট হওয়ার আগে ৮ চার ও ২ ছক্কার মারে ৪১ বলে ৭৪ রান করেন হেন্ডরিকস। ৬ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কার মারে ৪৫ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। রান তাড়া করতে নেমে মূলত ‘ফিল্ডার’ ডেভিড মিলারের কাছেই হারে পাকিস্তান। ব্যাট হাতে মাত্র ১০ রান করা মিলার ফিল্ডিং করতে নেমে বিদায়ঘণ্টা বাজান ৬ ব্যাটসম্যানের। ৪টি ক্যাচ নেয়ার পাশাপাশি ২টি রানআউটে মুখ্য ভূমিকা রাখেন তিনি। পাকিস্তানের পক্ষে প্রায় সবাই ভালো শুরু করেন। বাবর আজম ২৭ বলে ৩৮, হুসাইন তালাত ৩২ বলে ৪০, অধিনায়ক শোয়েব মালিক ৩১ বলে ৪৯ রান করে জয়ের প্রাথমিক কাজটা ঠিকঠাকমতো করেন। কিন্তু শেষের দিকে কেউই তেমন দাঁড়াতে না পারলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রানেই থামে পাকিস্তানের ইনিংস। দক্ষিণ আফ্রিকার বল হাতে বিউরান হেন্ডরিকস, ক্রিস মরিস ও তাবারেজ শামসি নেন ২টি করে উইকেট। তবে ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে ডেভিড মিলারের হাতেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category