রবিবার, মার্চ ৮, ২০২০




৪৮ বছর যাবৎ মতলবে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে দূর্গাপুর জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়

সোহেল সরকারঃ ৪৮ বছর যাবৎ মতলব উত্তর উপজেলায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে দূর্গাপুর জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়।

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বেষ্টিত মতলব উত্তর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নাধীন দূর্গাপুর গ্রামে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দূর্গাপুর জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার প্রয়াসে ৯৬ শতাংশ সম্পত্তির এই বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠিত করেন স্থানীয় সাতজন অগ্রগামী আলোর দিশারী।

জনপ্রিয় এই বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্ব পালন করেন আঃ মজিদ মিয়া। দুটি নিজস্ব ভবনের এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে রয়েছে ১৫টি শ্রেণীকক্ষ। শিক্ষার্থীদের পাঠদানে নিয়োজিত আছেন ১৬ জন শিক্ষাগুরু এদের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক রয়েছেন ১১ জন। মোট শিক্ষকের মধ্যে নারী শিক্ষক রয়েছেন ৩ জন এবং চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী রয়েছেন ২ জন। জনপ্রিয় এই পাঠশালায় নামমাত্র বিজ্ঞানাগার ও লাইব্রেরি থাকলেও নেই শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব। এছাড়াও নেই পর্যাপ্ত খেলার মাঠ। শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ মেধা বিকাশে অপরিহার্য বিজ্ঞানাগার, লাইব্রেবী ও খেলার মাঠ। পরিপূর্ণ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, তাই তাদের মানসিক বিকাশে স্থায়ী বিজ্ঞানাগার, লাইব্রেবী ও পর্যাপ্ত খেলার মাঠ ব্যবস্থার অনুরোধ বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকলের।

নদীকেন্দ্রীক এই বিদ্যাপীঠে মোট ৮০০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষাগ্রহনে নিয়োজিত আছেন। এদের মধ্যে বালক ৩৭৬ জন এবং বালিকা রয়েছে ৪২৪ জন। ২০১৯ সালের জেএসসি পরীক্ষায় অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাশের হার ছিলো ৯৬% এবং কৃতকার্যদের মধ্য থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেন। ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অত্র বিদ্যাপীঠ থেকে পাশের হার ছিলো ৮৭% এবং কৃতকার্যদের মধ্য থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এই পাঠকেন্দ্রে বর্তমানে সভাপতির দ্বায়িত্বে আছেন মোঃ সিরাজুল ইসলাম এবং বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্বে আছেন স্বপন কুমার সূত্রধর।

প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার সূত্রধর আশা প্রকাশ করে বলেন, একাডেমিক ভবনের অভাবে পর্যাপ্ত শ্রেণীকক্ষ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ব্যহত হয়। বিজ্ঞানাগার, লাইব্রেরি ও পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ পাঠদানে সমস্যা হয়। এই সমস্যাগুলো স্থানীয় অগ্রজ ও উর্ধতন কতৃপক্ষ মিলে সমাধান করে দিলে আমরা বিদ্যালয়টিকে উপজেলা শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ে রুপান্তর করতে পারবো বলে বিশ্বাস করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category