বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৩, ২০১৯




সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে স্থান পেতে যাচ্ছে চাঁদপুরের যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ

শামসুজ্জামান ডলারঃ  জাতীয় মাধ্যমিক শিক্ষা পাঠ্যপুস্তকে স্থান পেতে যাচ্ছেন চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ছয় বারের নির্বাচিত কমান্ডার যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ।

সরকার ইতোমধ্যে মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব ইতিহাস পাঠ্য বইতে সংযোজন করতে বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে ভিডিওসহ সাক্ষাৎকার সংগ্রহ শুরু করেছেন।  সেই সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে বাছাইকৃত সাক্ষাৎকার পাঠ্যপুস্তকে সংযোগ করা হবে।

সেই সূত্র ধরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণীর নির্ধারিত একদল শিক্ষার্থীদের কাছে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ। যাঁর গ্রামের বাড়ী চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর গ্রামে।

ইতি মধ্যে চাঁদপুর সরকারি মাতৃপীঠ বালিকা উচ্চ উচ্চ বিদ্যালয়, পীর মহাসীন উচ্চ বিদ্যালয়, আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমী, লেডী দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সুজাতপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাক্ষাৎকার গ্রহন করেছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে চাঁদপুর আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমীতে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধকে জানি’ ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সাথে শীর্ষক সাক্ষাতকারে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ।

স্মৃতিচারণের পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের উদেশ্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ কখনই স্বাধীন হতো না।  আমরা একটি পরধীনতা জাতি হিসেবে বেঁচে থাকতো হতো।  বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।  তেমনি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই ভাষা আন্দোলনে সফলতা এসেছে।

তিনি আরো বলেন, সকল সংগ্রাম ও আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৭১ সৃষ্টি হয়েছিলো। যার ফলোশ্রুতিতে আমাদের স্বাধীনতা। এখন বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের নৌকা এগিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির নেতৃত্বে শিক্ষামন্ত্রনালয়ের এই উদ্যোগে আমরা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানাই। এ উদ্যোগের কারণে শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধক্ষেত্রের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরছেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক যুদ্ধকালীন বর্তমান কুমিল্লার জেলার দাউতকান্দিকান্দি উপজেলার গোয়ালমারি যুদ্ধে সময় সম্মুখ যুদ্ধে আহত হয়ে যুগান্তকারী যেসব ভূমিকা পালন করেছেন তার স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি যে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই।  এর মাধ্যমে দেশের শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধে এ মহান মুক্তিযোদ্ধার অবদান সম্পর্কে জানতে সক্ষম হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category