রবিবার, অক্টোবর ৬, ২০১৯




সংশ্লিষ্ট বিভাগের সু-দৃষ্টি কামনাফরিদগঞ্জ-কালির-বাজার সড়কের বেহাল দশা

এস.এম ইকবাল: ফরিদগঞ্জ-কালির বাজার সড়কটি নির্মানের অল্প সময়ের মধ্যেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। উপজেলা সদরের ফরিদগঞ্জ বাজারের পশ্চিম মাথা থানার মোড় থেকে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মূখ্য অংশ ও লিংরোড অংশ পুরোটাই নির্মানের কয়েক মাসের মধ্যেই ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়লেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন খবরদারী নেই। কাজের গুনগত মান এতই খারাপ হয়েছে যার বাস্তবতা স্ব-চোক্ষ না দেখলে বিশ^াস করা যাবেনা।
ঐ পথে চলাচল কারীরা দারুণ বেকায়দায় পড়তে হয়েছে। যানবাহন নিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তাছাড়া প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনাতো ঘটছেই। যে কোন মূহুর্তে বড় ধরণের দূর্ঘটার আশংঙ্কা করছে ঐ পথে চলাচল কারীরা। বিশেষ করে বাজার ব্যবসায়ী, পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা খুব বেশী ভোগান্তীতে পড়তে হচ্ছে। অপর দিকে কালির বাজার পর্যন্ত বাকী সড়কের পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হতে শুরু করেছে।
এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা জানান, আমরা অবাক হলাম এ সড়কের কোন অভিভাবক রয়েছে কি? কেননা সড়কটি মেরামতের পর তিন মাসের মধ্যেই কার্পেটিং উঠে গেছে। সড়কটি এত অল্প সময়ে খানা খন্দে পরিণত হলেও সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর কোন ব্যবস্থাই নেয়নি। সরকারের কোটি কোটি টাকার অপচয় হচ্ছে এ ধরণের কাজে । কাজের গুণগত মান রীতিমত এ ভাবেই চলছে উপজেলার সর্বত্র।
সড়কটির বেহাল দশার বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ড. জিয়াউল ইসলাম মজুমদার জানান, ফরিদগঞ্জ – কালির বাজার সড়কটি ৫.২ কিলোমিটার। ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মামুন ও শিপন নামের দু‘ব্যক্তি প্রায় ৩ বছর পূর্বে সড়কের কাজ করেছে। তিনি আরোও জানান, সড়কের দু‘পাশের্^ বাড়ি-ঘর নির্মান করায় পানি জমে অল্প সময়ের মধ্যে সড়কটি নষ্ট হচ্ছে। সড়কের ঐ অংশে আরসিসি করে মেরামত কাজের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন ও বরাদ্দ পেলে সড়কটি ভালোভাবেই মেরামত করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category