বৃহস্পতিবার, মে ২৮, ২০২০




শোয়েবের সেই বলে ভয়ে চোখ বুঝেছিলেন টেন্ডুলকার

মো. নাছির উদ্দীন : শচীন টেন্ডুলকার ভারতীয়  ক্রিকেটের এক জীবন্ত কিংবদন্তি ক্রিকেটার। বিশ্ব সেরা বোলারদের বিপক্ষেও দুর্দান্ত ছিলো তার ব্যাটিং দক্ষতা। ক্যারিয়ারে গ্লেন ম্যাকগ্রা, শন পোলক, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস, শোয়েব আখতারদের মতো ফাস্ট বোলারদের সামনে হয়ে দাঁড়াতে কঠিন দেয়াল। তবে এই অসামান্য ব্যাটিং দক্ষতার অধিকারী টেন্ডুলকার নাকি ভয় পেতেন একজনকে। আর তিনি হলেন পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার শোয়েব আক্তার।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্যই জানালেন পাকিস্তানের আরেক ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আসিফ। একসময় এই আসিফকেই মনে করা হতো আকরাম-ওয়াকারদের যোগ্য উত্তরসূরি। তবে এখন আর দলে নেই আসিফ। স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন, খাটতে হয়েছে জেলও।
দলের বাইরে থাকলেও ক্রিকেট নিয়ে কথা বলছেন আসিফ। তেমনই এক ক্রিকেটীয় আড্ডায় তিনি বলেছেন, শোয়েবের বাউন্সারে ভয় পেয়ে চোখ বুঝে ছিলেন টেন্ডুলকার!
২০০৬ সালে করাচি টেস্টের কথা বলেছেন আসিফ। যেটি ছিল সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট। ওই ম্যাচে ভারতের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ইরফান পাঠান। সেই ম্যাচের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আসিফ বলেছেন, ‌‘ম্যাচের শুরুতেই ইরফান পাঠান হ্যাটট্রিক করল। আমরা মানসিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়লাম। পরে আবার নিচের দিকে নেমে কামরান আকমল সেঞ্চুরি পেল। আমরা ২৪০ মতো রান করেছিলাম।’
এরপর এলো ভারতের প্রথম ইনিংসের পালা। যেটি মনে হলো এখনো যেন খুশি খুশি লাগে আসিফের, ‌’শোয়েব আখতার এক্সপ্রেস গতিতে বোলিং করেছিল সেই ম্যাচে। মনে আছে, আমি স্কয়ার লেগে ফিল্ডিং করছিলাম, আম্পায়ারের কাছাকাছি। আমি নিজে দেখেছি, শোয়েবের দুটি বাউন্সার মোকাবিলা করতে গিয়ে চোখ বুঝে ফেলেছিল টেন্ডুলকার। আমরা ওদের ২৪০ রানও করতে দিতে চাইনি। হারতে গিয়ে সেই ম্যাচটি জিতেছিলাম আমরা।’
২০০৬ সালের করাচি টেস্টে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান অলআউট হয়েছিল ২৪৫ রানে। তবে ভারতে আটকে দিয়েছিল ২৩৮ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৫৯৯ রান করে স্বাগতিকেরা। ভারতকে ২৬৫ রানে আউট করে দিয়ে ম্যাচটি জিতেছিল ৩৪১ রানে। ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন আসিফ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category