শনিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৯




মাঈনুল হোসেন খান নিখিল রাজনীতিতে আসলেন যেভাবে

 

শহিদুল ইসলাম খোকনঃ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সপ্তম কংগ্রেসে সাধারণ সম্পাদক পদে আগ্রহী ছিলেন সাতজন। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত হন মাইনুল ইসলাম খান নিখিল।

শনিবার তাকে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মাইনুল হোসেন খান নিখিলের জন্ম চাঁদপুরের মতলব উত্তরে দূর্গাপুর ইউনিয়নের হরিনা গ্রামে। তার বাবা মরহুম মোফাজ্জল খান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। তার চাচা মরহুম মনির হোসেন খান ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ছিলেন। চাদপুরের সন্তান হলেও তিনি ঢাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয়। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিক বৃহত্তর লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে জড়ান।

ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে ১৯৮৭ সালে তিনি যুবলীগে যোগ দেন। তৎকালীন ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের একটি আহ্বায়ক কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হন। সেই সময় যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। ২০০১ সালের দিকে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হন। ২০১২ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি নিশ্চিতপুর ডিগ্রী কলেজর গর্ভনিংবডির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে (কাফরুল ও মিরপুর) আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন নিখিল।

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য কাউন্সিলরদের কাছ থেকে নামের প্রস্তাব চাওয়া হলে সাতজনের নাম আসে। তারা হলেন- মাইনুল হোসেন খান নিখিল, মহিউদ্দিন মহি, অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন, সুব্রত পাল, মনজুরুল আলম শাহীন, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, বধিউল আলম বধি।

এরপর নিজেদের মধ্যে সমঝোতার জন্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাদের নির্দেশ দেন। পরে তারা সমঝোতায় ব্যর্থ হলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শক্রমে মাঈনুল হোসেন খান নিখিলের নাম ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category