শুক্রবার, নভেম্বর ২৯, ২০১৯




মতলব উত্তরে এতিমখানার ছাদ ধসে আহতদের পাশে ইউএনও শারমিন আক্তার

 

শামসুজ্জামান ডলারঃ মতলব উত্তরে ফরাজীকান্দি আল-আমিন এতিমখানার ছাদধসে আহতদের খোজ খবর নিচ্ছেন উপজোলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার। বৃহস্পতিবার দুপরে তিনি এতিমখানার আহত শিক্ষার্থীরা বর্তমানে কেমন আছে তা সরেজমিনে দেখতে আসেন।

হাসপাতাল থেকে ছেড়েদেয়া আহতদের মধ্যে ১৩ জন বর্তমানে ফরাজীকান্দি আল-আমিন এতিমখানায় রয়েছে। যাদের মধ্যে ৫ জনের পা ও ৪ জনের হাতে সমস্যার কারনে বড় ধরনের ব্যান্ডেজ রয়েছে। তাদের সেবা-সুস্রসার কাজ এতিমখানার পক্ষ থেকেই করা হচ্ছে। এদের প্রতিদিন মাছ-মাংশ, বিভিন্ন রকমের ফল, নিয়মিত ওষধ সেবন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আহতদের প্রতিদিন দেখাশুনা করার জন্য একজন ডাক্তারের ব্যবস্থা করেদেন মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

বর্তমানে সিয়াম নামের এক শিক্ষার্থী ঢাকা মেডিক্যালে বিল্লাল নামের এক শিক্ষার্থী পঙ্গু হাসপাতালে এবং স্কাউট শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন, শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ ও আইনুদ্দিন চিকিৎসাধীন আছে চাদপুর সদর হাসপাতালে।

আল-আমিন এতিমখানার আবাসিক কর্মকর্তা লিটন সরকার জানান, আমাদের কাছে থাকা আহত কয়েকজনের মা তাদের সন্তানকে নিতে আসলেও ওদের জন্য ব্যবস্থা করা উন্নত খাবার-দাবার, ওষধ-পথ্য, প্রতিদিন ডাক্তারী চেকআপসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধাদির কারনে অভিভাবকরা তাদের সন্তানকে এখাসে রাখার ব্যপারেই উৎসাহী।
তাছাড়া আমাদের মানযূর আহমাদ পীর সাহেবর সুযোগ্য সন্তান শায়খ মাসউদ আহমাদ বোরহানী সরেজমিনে এসে তদারকী করছেন, ঢাকা মেডিক্যালে থাকা আহত সিয়ামকে তিনি নিজেই রক্ত দিয়েছেন এবং সার্বক্ষনিক খোজখবর রাখছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার জানান, শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন নয় মানবিক দিক বিবেচনা করেই আমি আহত এতিম ছাত্ররা বর্তমানে কেমন আছে তা জানতেই এখানে এসেছি। তাছাড়া প্রতিদিনই আমি ওদের সার্বিত খোজ খবর রাখছি।

উল্লেখ্য, ২৩ নভেম্বর রাত পৌনে ১০ টার দিকে মতলব উত্তর ফরাজীকান্দির আল-আমিন এতিমখানার দোতলার বারান্দার কিয়দাংশ ধসে পড়ে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category