রবিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯




মতলবে ভোগ দখলীয় সম্পত্তি বেদখলের পাঁয়তারা \ সহকারি কমিশনারের নিকট দরখাস্ত

ফজলে রাব্বি ইয়ামিন: মতলব পৌরসভার উত্তর নলুয়া মহল্লায় লীজকৃত ও নিজ দখলীয় সম্পত্তি বেদখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে একই মহল্লার সম্ভুনাথ ও সুদর্শন পোদ্দারের পরিবারের বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে গত ১২ ডিসেম্বর মতলব দক্ষিণ সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর নিকট একটি দরখাস্ত করেছেন ভুক্তভোগী সেরাজল হক খান।
দরখাস্ত থেকে জানা যায়, ভোক্তভোগী সেরাজল হক ১২/৭৯ (৩১/৮১-৮২) ভিপি লীজমূলে এবং নিজ মালিকীয় প্রায় দেড় একর জায়গা ভোগ দখল করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু দরখাস্তে তফসিল সম্পত্তির মধ্যে একটি ঘর সংস্কার করাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন মতলব দক্ষিণ থানায় একটি অভিযোগ করেন। অভিযোগে ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে সমাধি রয়েছে বলে প্রতিপক্ষের লোকজন প্রচার করে। প্রকৃতপক্ষে উক্ত তফসিল ভুক্ত সম্পত্তিতে কোন সমাধি নেই। এদিকে প্রতিপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে থানার এএসআই ভুক্তভোগী সেরাজল হক খানের ভোগ দখলীয় সম্পত্তিতে থাকা সংস্কারধীন ঘরটি ১৫ দিনের মধ্যে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন।
সরেজমিনে জানা যায়, ভুক্তভোগীর দখলীয় সম্পত্তিতে ওই ঘর সংস্কারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে এএসআই প্রশান্ত স্থানীয় লোকজনের সাথে একাধিক বৈঠক করেন। বৈঠকে তফসিল বর্ণিত সম্পত্তিসহ অন্যনা সম্পত্তি নিয়ে একাধিক মামলা থাকায় উভয় পক্ষ থেকে আইনজীবী রেখে বৈঠকের সিদ্বান্ত হয়। বৈঠকে আইনজীবীগণ বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে সমাধানের কথা বললেও প্রতিপক্ষের লোকজন এবং স্থানীয় কতেক মাতাব্বররা তফসিল সম্পত্তি পরিমাপের সিদ্বান্ত নেয়। পরিমাপে সংস্কারধীন ঘরের জায়গাটি সরকারি সম্পত্তিতে রয়েছে বলে তা সরিয়ে নিতে ভুক্তভোগী সেরাজল হক খানকে প্রতিপক্ষের লোকজন এবং থানার এএসআই প্রশান্ত ১৫ দিনের মধ্যে ঘর সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন বলে জানান ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা।
এদিকে সেরাজল হক খানের ছেলে আব্দুল মান্নান খান বলেন, যে সম্পত্তি তারা সরকারি সম্পত্তি বলছে তা আমাদের লীজ নেওয়া আছে। এছাড়া এই সম্পত্তিসহ সাবেক ২৮৯ নং খতিয়ানের সমস্ত সম্পত্তি নিয়ে উভয় পক্ষসহ তৃতীয় পক্ষেরও একাধিক মামলা জেলা ও হাইকোর্টে চলমান রয়েছে। আদালতে মামলা চলমান অবস্থায় থানার এএসআই ও স্থানীয় কতেক মাতাব্বর কীসের ভিত্তিতে ঘর উচ্ছেদ করতে নির্দেন দেন? তাই এসব বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর নিকট দরখাস্ত করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category