মঙ্গলবার, নভেম্বর ১০, ২০২০




ফাইনালে আজ মুম্বাই-দিল্লি লড়াই

 ক্রিড়া প্রতিবেদকঃ প্রথম কোয়ালিফায়ারে এই দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল মুম্বাই। তারপর আরেক ম্যাচ খেলে ফাইনালে এলো সেই দিল্লি। আজ দুবাইতে এ বছরের আইপিএলে মুখোমুখি হচ্ছে তাই মুম্বাই ও দিল্লি।

মুম্বাইয়ের জন্য এটা শিরোপা ধরে রাখার মিশন। আর দিল্লির জন্য প্রথম শিরোপার হাতছানি। দিল্লির এই পথে আসাটা খুব সহজ ছিল না।

আবুধাবিতে রোববার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হায়দরাবাদকে ১৭ রানে হারায় দিল্লি। শিখর ধাওয়ানের ফিফটিতে ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে তারা।

লক্ষ্য তাড়ায় কেন উইলিয়ামসনের লড়াকু ফিফটিতে ৮ উইকেটে ১৭২ রানে থামে ডেভিড ওয়ার্নারের দল। প্রথম দুই আসরে সেমি-ফাইনাল থেকে বাদ পড়া দিল্লির দলটি ২০১২ ও গত আসরে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে বিদায় নেয়।

শেষ কোয়ালিফায়ারে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা দিল্লি ধাওয়ান ও স্টয়নিসের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায়। ৫১ বলে দুই জনে গড়েন ৮৬ রানের উদ্বোধনী জুটি। তিন রানে জেসন হোল্ডারের হাতে জীবন পাওয়া স্টয়নিস ২৭ বলে পাঁচ চার ও এক ছক্কায় করেন ৩৮ রান। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে তাকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন রশিদ খান।

অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি ধাওয়ানকে। চারে নেমে এই ওপেনারের সঙ্গে ৫২ রানের জুটি গড়েন শিমরন হেটমায়ার। শাহবাজ নাদিমকে ছক্কায় উড়িয়ে ২৬ বলে ফিফটি করা ধাওয়ানের ইনিংস শেষ হয় ৭৮ রানে। বাঁহাতি এই ওপেনারের ৫০ বলের ইনিংসে ছয় চারের পাশে দুটি ছক্কা।

শেষ দিকে ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন হেটমায়ার। ২২ বলে চারটি চার ও এক ছক্কায় ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন বাঁহাতি এই ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান। বড় রান তাড়ায় হায়দরাবাদের শুরুটা ছিল বাজে। ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারায় দলটি।

অধিনায়ক ওয়ার্নার ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক, ফেরেন কাগিসো রাবাদার বলে বোল্ড হয়ে। স্টয়নিসের এক ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। শুরু ধাক্কা সামাল দিয়ে দলকে কক্ষপথে ফেরান উইলিয়ামসন। বল হাতে বাজে দিন কাটানো হোল্ডার ব্যাটিংয়ে পারেননি ভালো কিছু করতে।

আব্দুল সামাদকে নিয়ে লক্ষ্যের দিকে এগোতে থাকেন উইলিয়ামসন। তাকে থামিয়ে ম্যাচ অনেকটাই দিল্লির নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন স্টয়নিস। ৩৫ বলে ফিফটি করা নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের ইনিংস থামে ৬৭ রানে। ৪৫ বলের ইনিংসটি সাজানো ৫ চার ও ৪ ছক্কায়। দুটি করে চার ও ছক্কায় সামাদ খেলেন ১৬ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো ইনিংস।

শেষ দিকে রাবাদার দারুণ বোলিংয়ে আর পেরে ওঠেনি হায়দরাবাদ। চার ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন দক্ষিণ আফ্রিকান এই পেসার। এর তিনটিই আসে নিজের শেষ ওভারে। তিন ওভারে ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন স্টয়নিস। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category