মঙ্গলবার, নভেম্বর ৫, ২০১৯




ফরিদগঞ্জে ষড়যন্ত্রকরে গ্রেফতার ও মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এস. এম ইকবালঃ ফরিদগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন রতনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাটি ষড়যন্ত্র মূলক ও মিথ্যা দাবি করে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ফরিদগঞ্জ বিআরডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করছে। স্বয়ং মোতাহার হোসেন রতনের ব্যক্তিগত উদ্যেগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

ওই সংবাদ সম্মেলনে মোতাহার হোসেন রতন বলেন, গত ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ করে সন্ধায় বিআরডিবির অফিসে বসে অনুষ্ঠানের খরচের হিসাব নিয়ে বসছিলাম। এ সময় আমার পাশে বসে থাকা অবস্থায় থানা পুলিশ এসে মামুন ওরফে মনা পাটওয়ারী ও স্বপনের হাতে হাত কড়া পড়িয়ে দেয়। তাৎক্ষনিক পুলিশ আমাদের পকেটে হাত দিয়ে টাকা বের ছবি তোলে। এক পর্যায়ে পুলিশ আমাদেরকে হাতকড়া পড়িয়ে থানায় নিয়ে যায়। একই সাথে আমাদের সাথে থাকা বিল্লাল হোসেনকে ও আমাদের সাথে থানায় নেয়া হয়। পরে জানতে পারি আমাদের বিরুদ্ধে পুলিশ একটি মামলা দিয়ে কোর্টে প্রেরন করে।
ষড়যন্তকারিরা আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা অসৎ উদ্দেশ্যে মামলার জামিনের কপিতে পর্যন্ত গড়মিল করেছে,

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আমি ছাত্রলীগ, যুব লীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পদে থেকে দলের দুঃ সময়ে দলের স্বার্থে কাজ করে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী হওয়া ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। অথচ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের গড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজ রাষ্ট্র ক্ষমতায়। এমন অবস্থায় একটি স্বার্থান্নেষী মহল আমার রাজনীতির ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে আমাকে পুলিশ দিয়ে আটক করে মামলা করাতে বাধ্য করেছে। তাই আমার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও নিন্দা জানাই , ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে আমি মনে করি সাবেক সংসদ সদস্য ড. শামছুল হক ভূঁইয়া ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারীর হাত রয়েছে। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, বিআরডিবিতে গত নয় বছরে ব্যাপক দূনীর্তি হয়েছে, উল্লেখ্য সীমানা প্রাচীর নির্মানের নামকরন করে তিনটি চেকের মাধ্যমে দুই লক্ষ আটাত্তর হাজার টাকা লুটপাট করা করা হয়েছে, ভান্ডারী মহলের ২৪টি দোকান নিমার্নের আয় ও ব্যয়ের কোন হিসাব বিআরডিবির অফিসের নথিতে নাই, উক্ত মার্কেটের স্থানে শতাধিক মূল্যবান গাছ ছিল যাহার বিক্রয়লদ্ব অর্থ আয়-ব্যয়ের অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে।

এদিকে যুবলীগ নেতা মো. মাসুদ আলম আয়াত তার ভাই মো. বিল্লাল হোসেন কে দেখতে গেলে একদল সন্ত্রাসী তার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে আহত করে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category