শনিবার, মে ৪, ২০১৯




ফনীর প্রভাবে মতলব উত্তরের চরাঞ্চলে শতাধিক বসতঘর বিধ্বস্ত ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

 

নূরে আলম নূরীঃ
ফনীর ঝড়ের প্রভাবে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার চরাঞ্চলে শতাধীক বসতঘর, মসজিদ, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শনিবার সকালের দিকে ফনীর ঝড়ের প্রভাবে উপজেলার চরাঞ্চলের বোরচর, চরউমেদ, বাহরচর, চরওয়েস্টারে শতাধিক বসতঘর, কয়েকটি মসজিদ, অসংখ্য গাছপালা ও ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পাকা ধানসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এর মধ্যে বোরচরে ৪০, বাহেরচরে ৩৩টি ও চরউমেদে ৩০টির মতো ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। বিভন্নস্থানে গাছপালা ওপরে পড়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন ১০/১২ জন। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। মতলবে বাতাসসহ থেমে থেমে বৃস্টি হচ্ছে।

জহিরাবাদ ইউনিয়নের চরউমেদ শাহজালাল সরকার,
রহমান গাজী,পারভেজ মুন্সি, তাফাজ্জল চোকদার,
সাইদ খা, ওয়াজ কুরনী পাইক, শুক্কুর বেপারীসহ এখানে অন্তত ৩০ জনের ঘরবাড়ী বিধ্বস্ত হয়।

এখলাছপুর ইউনিয়নের বোরচরে সাংবাদিক হারুন সসরকার, সাত্তার মোল্লা, শুকুর বেপারি, এবাদুল্লাহ গাজি, আনোয়ার গাজি, হাসান গাজি, দিনীইসলাম, ওয়াজকরনি পাইক, সহিদ খা, সাহাজালাল, মুনছুর, পারভেজ মুনসি, রকমান গাজি,ছুরিয়া, রাজিব হাবিবুল্লা, বাচ্চু সরকার মিজান সরদার, হারন সরকার,মুসা সরকারসহ এখানে অন্তত ৪০টি বসতঘর বিধ্বস্ত হয়।
এছাড়ারও তাজল মোল্লাদের মসজিদ ও হারুন সরকারদের মসজিদটিও বিধ্বস্ত হয়।

মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পাকা ধান ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

শনিবার ভোর  থেকে  বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, বিষয়টি আমি নিশ্চিত হওয়ার পর সাথে সাথে সহযোগিতার ব্যবস্থা গ্রহন করেছি। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category