বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯




চাঁদপুরে শিক্ষকদের ১১তম ও ১০তম গ্রেডের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ

স্টাফ রিপোর্টারঃ সারাদেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের মত সহকারী শিক্ষকদের ১১তম ও প্রধানশিক্ষকদের ১০তম গ্রেডের দাবিতে চাঁদপুর সদরের সকল সরকারি শিক্ষকগণ প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি পেশ করেন।

চাঁদপুরে সদরের ষোলঘর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ) বেলা ৩ টায় কেন্দ্রিয় বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ডাকে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন শেষে ঔ স্মারকলিপি পেশ করেন।

চাঁদপুরে সদরের ষোলঘর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ) বেলা ৩ টায় কেন্দ্রিয় বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ডাকে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন শেষে ঔ স্মারকলিপি পেশ করেন।

সহকারী শিক্ষকের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকের ১০তম গ্রেড এদেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ের শিক্ষকগণের প্রাণের দাবি। জাতীয় নির্বাচনি ইশতিহারেও প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড বৈষম্য নিরসন করার কথা উল্লেখ ছিল। সারাদেশে ভয়েস কলের মাধ্যমেও নির্বাচনের সময় শিক্ষদের গ্রেড বৈষম্য নিরসনের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু অদ্যবদি তা বাস্তবায়ন হয়নি।

শিক্ষকগণ তাদের স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন-‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে আপনার সু-দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য আমরা আপনার সাথে আছি। প্রাথমিক শিক্ষায় আপনার নেতৃত্বে অনেক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এজন্য আপনার কাছে আমাদের প্রত্যাশাও অনেক। তাই মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড এবং প্রধান শিক্ষকের ১০তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের দাবি বাস্তবায়নে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ ঐতিহ্যবাহী পেশাজীবী সংগঠন। ১৯৭৩ সালে এ সংগঠনের অনুরোধে ও দাবির প্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে ৩৭,৬৭২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষকগণকে সরকারি চাকুরীর মর্যাদা প্রদান করেন।

বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬,১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন । যা মাইলফলক হিসেবে জাতির কাছে বিবেচিত হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির দাবির প্রেক্ষিতে ৯ মার্চ ২০১৪ সালে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল এক ধাপ উন্নীত করেন।

পরবর্তীতে সহকারী শিক্ষকদের বেতন আরো বৃদ্ধি করা হবে বলে আশ্বাসও প্রদান করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদার ১০ম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদেরকে ১১তম বেতন গ্রেড এখনও বাস্তবায়িত হয়নি বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category