বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২০




হাইমচরে গৃহ শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীকে ধর্ষনেরর অভিযোগে থানায় জিডি

হাইমচর প্রতিনিধিঃ চাঁদপুর হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে ৯ নং ওয়ার্ড়ের শেখ কান্দির জুলহাস বকাউল এর স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে একই ইউনিয়নের চোকিদার কান্দির আক্কাছ আলী খানের ছেলে গৃহ শিক্ষক আবুল কাশেম আলি (২৮) এর বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা জুলহাস বকাউল বাদী হয়ে ধর্ষক কাশেম আলী হুজরের বিরুদ্ধে  হাইমচর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
গত ২৯ এপ্রিল বিকেলে গৃহ শিক্ষক কাশেম আলীর বাড়িতে জুলহাস বকাউলে মেয়ে  প্রাইভেট পড়তে গেলে তাকে জোর পূর্বকভাবে  শারীরিক নির্যাতন করেন। অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের জুলহাস বকাউলের  ৭ বছরের মেয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী সরকারের ঘোষিত সময়ে  করোনা ভাইরাসের কারনে স্কুল বন্ধ থাকায়  পাশের  গ্রামে তার নানার বাড়িতে বেড়াতে যায়।সেখানে থেকেই পড়াশুনা করতেছিল। এই বন্ধের কারনে লেখা-পড়া খারাপ হয়ে যাবে বলে চিন্তা করে মেয়েটিকে তার নানার বাড়ির  পাশের বাড়িতে  কাশেম আলি হুজুরের কাছে প্রাইভেট পড়াতে দেন। তার সাথে আশেপাশের আরো কয়েজন ছাত্র-ছাত্রী পড়ে। এ ভাবে প্রায় ১ মাস কাশেম আলীর কাছে প্রাইভেট পড়তে থাকেন।
প্রতিদিনের মতো মেয়েটি হুজুরের কাছে বিকেল ৩টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত প্রাইভেট পড়তেন। ঘটনারদিন হুজুরের স্ত্রী ও পরিবারের লোকজন বাড়িতে না থাকার সুযোগে ছাত্রীর উপর শারীরিক নির্যাতন করেন। এব্যাপারে মেয়েটির বাবা জুলহাস বকাউল বলেন- করোনা ভাইরাসের কারনে স্কুল বন্ধ থাকায় আমার মেয়ে তার নানার বাড়ি বেড়াতে যায়।সেখানে তার লেখা- পড়া যাতে ক্ষতি না হয়, সেজন্য তার নানার বাড়ির পাশের বাড়িতে কাশেম আলী হুজুরের কাছে প্রাইভেট পড়াতে দিয়েছি। বুধবার কাশেম আলী হুজুর সবাইকে ছুটি দিয়ে আমার মেয়েকে খাটে বসিয়ে রাখেন।আমার মেয়ে হুজুরকে জিজ্ঞেসা করে আমাকে কেনো বসিয়ে রাখছেন,হুজুর বলেন তোমার আরো পড়ার বাকি আছে। তারপর হুজুর তার ঘরের দরজা বন্ধ করে আমার মেয়ের শরীলের বিভিন্ন জায়গায় হাত দেয় এবং তাকে জোর পূর্বক শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন।আমার মেয়ে লজ্জায় কাউকে বলতে পারে না তার দেরিতে আসায় সন্দেহ হয়। আমার মেয়ে এ ঘটনার কথা কাউকে না বলতে হুমকি দেন আর বললে আমার মেয়ে মেরে নদীতে পেলে দিবে। আমি এঘটনা শুনার পর স্থানীয় গন্যমান্য লোকজনের সহায়তায় কাশেম হুজুরের কাছে ঘটনার সততা যাচাইয়ের জন্য গেলে হুজুর নিজ মুখে শ্বীকার করেন।আমি প্রশাসনের কাছে আমার মেয়ের ইজ্জতের বিচার চাই।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য মোঃ বাচ্চু মিয়া সরকার বলেন এ বিষয়ে আমি শুনেছি। উভয় পক্ষকে বসার জন্য বলছিলাম। এক পক্ষ আসছে অপর পক্ষ আসেনি। তাই অভিযোগকারীদের থানায় অভিযোগ করার জন্য পাঠিয়েছি। এঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category