শনিবার, মে ৪, ২০১৯




চাঁদপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই

 

ষ্টাফ রির্পোটারঃ  রমজান কিংবা পবিত্র ঈদের আগমনী বার্তায় চাঁদপুরের বেকারী গুলো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী করছে লাচ্ছা সেমাই। কিন্তু এসব বেকারী গুলোর অধিকাংশই বিএসটিআইএ ও স্বাস্থ্য বিভাগের নেই অনুমতি।

প্রতি বছর মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আযহা এলেই বেকারী গুলোতে নিয়মবহির্ভুত লাচ্ছা সেমাই তৈরীর ধুম পড়ে। দিবারাত্রী শ্রমিক দিয়ে লাচ্ছা সেমাই তৈরী করে চাঁদপুরের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও পার্শ্ববর্তী শরীয়তপুর, রায়পুর, লক্ষ্মীপুরসহ কয়েকটি জেলায় নিন্মমানের লাচ্ছা সেমাই বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে ব্যাপক অর্থ। বিশেষ করে রমজান মাস এলেই বেকারী গুলোতে নিন্মমানের লাচ্ছা সেমাই তৈরী হয়ে থাকে। তবে এস কারখানা গুলোর পরিবেশ নিন্মমানের বলে জানা যায়। এসব কারখানা গুলোর নির্মিয়মান খাদ্য দ্রব্যে প্রচুর পরিমানে ভেজাল রয়েছে। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ক্যামিকেল ব্যবহার করেই এরা বাজারজাত করে যাচ্ছে। পুরোপুরিভাবে সেমাই তৈরীর কারখানা গুলোর কোনো অনুমোদন নেই বিএসটিআইএ কিংবা স্বাস্থ্য বিভাগের। এরা মৌসুম এলে মাত্র ৫০ টাকা চট্রগ্রাম বিএসটিআইএ অফিসে জমা দিয়ে রসিদ এনে পুরোদমে ভেজাল সেমাই তৈরী করে বাজারজাত করছে।

চাঁদপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগও কোনো খেয়াল রাখছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। কারখানা গুলোতে ময়দা খামীরের মোল্ডিং মেশিনে খামীর করার কথা থাকলেও তা মানছে না কেহ। তবে ঘামযুক্ত হাত ও পা দিয়ে খামীর তৈরী করা হচ্ছে। অপরিচ্ছন্ন অপরিস্কার স্থানেই ট্রেড মার্কবিহীন লাচ্ছা সেমাই নির্মান করা হচ্ছে। সেমাই তৈরীর কাজ চালু করার কয়েকদিন পুর্বেই বরিশাল, লালমহন, খুলনা ও ঝালকাঠি এলাকা থেকে অধিক দাদনের মাধ্যমে শ্রমিক এনে লাচ্ছা সেমাই তৈরী করছে। এসব শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে লাচ্ছা সেমাই তৈরী করার কথা থাকলেই বেকারী মালিকরা চাঁদপুর স্বাস্থ্যবিভাগকে ম্যানেজ করেই লাচ্ছা সেমাই তেরী করে যাচ্ছে। প্রতি বছর এমনি সময়ে বেকারী মালিকরা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ম্যানেজ করেই ভেজাল সেমাই তৈরী করে যাচ্ছে।

মুলতঃ প্রশাসনিকভাবে এসব সেমাই কারখানা গুলোতে অভিযান পরিচালনা কঠোরভাবে করা হলে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতো না। বরং নিয়মানুসারে চাঁদপুরের ৬টি উপজেলার বেকারী গুলো সরকারী বিধি মেনেই লাচ্ছা সেমাই তেরী করার প্রয়াস থাকবে। নিন্মমানের এসব লাচ্ছা সেমাই বিভিন্ন রোগের লক্ষন বলে জানা যায়। সংশ্লিষ্ট বিভাগ ভেজাল প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে সচেতন মহল আশা প্রকাশ করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category