বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ৩১, ২০১৯




কুতিনহোর জোড়া গোলে বার্সার বড় জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ  ফিলিপ্পে কুতিনহোর জোড়া গোলে সেভিয়াকে ৬-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে কোপা দেল রে-এর সেমিফাইনালে নাম লেখালো বার্সেলোনা। দুই লেগে ৬-৩ গোলের অগ্রগামিতায় বার্সেলোনা নিশ্চিত  করেছে শেষ চার। বুধবার রাতে ন্যু ক্যাম্পে সেভিয়াকে রীতিমত চেপে ধরে বার্সেলোনা। পুরো ম্যাচে সেভিয়ার গোলপোস্টে ২০ টি শট নিয়ে ১০টি অনটার্গেটে রেখেছে আর্নেস্ত ভালভার্দের শিষ্যরা। প্রথম লেগে সেভিয়া মাঠে ২-০ ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল বার্সেলোনা। সে ম্যাচে মেসি,সুয়ারেজকে বিশ্রাম দিয়েছিলেন বার্সা কোচ ভালভার্দে। তবে এই ম্যাচে পূর্নাঙ্গ একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। এই ম্যাচে কুতিনহোর জোড়া গোলে সঙ্গে একটি করে গোল পান ইভান রাকিটিচ, সার্জিও রবার্তো, লুইস সুয়ারেজ ও লিওনেল মেসি।

সেভিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন গুইলহের্মে অ্যারানা। ম্যাচের ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সা। মেসিকে ডি বক্সে ফাউল করে বসে সেভিয়ার ডাচ মিডফিল্ডার কুইনচি প্রমেস । রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্পট কিক থেকে গোল আদায় করেন বার্সার ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার কুতিনহো। ম্যাচের ২৪ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পায় সেভিয়া। ডি বক্সের ভিতরে সেভিয়ার স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রকে মেসাকে ফাউল করে বসেন জেরার্ড পিকে। আর রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। তবে এভার বানেগার স্পট কিক বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকে দেন বার্সেলোনার গোলরক্ষক ইয়াসপের সিলেসেন। এর পর ম্যাচের ৩১ মিনিটে আর্থারের কাছ থেকে বল পেয়ে  গোল করে  ব্যবধান দ্বিগুন করেন ইভান রাকিতিচ। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বার্সা। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমনের ধার বাড়ায় বার্সেলোনা। ৫৩ মিনিটের সময় হেডে থেকে গোল ম্যাচের ব্যবধান আবারো বাড়ান কুতিনহো । এক মিনিট বাদেই  মেসির অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন সার্জিও রবার্তো। ফলে ম্যাচে ৪-০ গোলে যায় বার্সা। ৬৭ মিনিটে এসে সেভিয়ার পক্ষে একটি গোল শোধ করেন গিলের্মো আরানো। ৮৯ মিনিটে গোল করেন লুইস সুয়ারেজ। আর নির্ধারিত সময়ের শেষে অতিরিক্ত যোগ সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে একজনকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের শটে সেভিয়ার গোলকিপারকে পরাস্ত করেন লিওলেন মেসি। ম্যাচে মেসির পেনাল্টি নেওয়ার সুযোগ নেওয়ার থাকলে সেটা নিয়ে সুযোগ করে দিয়েছেন কুতিনহোক। দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের মেসির এমন  সহযোগিতায় মুগ্ধ কুতিনহো। ম্যাচে শেষে কুতিনহো বলেন, লিও পেনাল্টি যেভাবে আমাকে নিতে দিল, তাঁর এই আচরণই প্রমাণ করে সে কত বড়।  লিওকে ধন্যবাদ আমাকে পেনাল্টি নিতে নেওয়ার জন্য, এটা দলের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জোগাতে সাহায্য করবে। আমরা জানতাম প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের দুর্দান্ত খেলতে হবে এবং আমরা সেটা করতে পেরেছি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category