সোমবার, এপ্রিল ১, ২০১৯




এপ্রিলফুলের ইতিবৃত্ত ও মুসলমানদের করনীয়

সংগ্রহে- আব্দুল্লাহ আল মামুন ওয়েসী: 

এখন থেকে প্রায় ৫০০ বছর আগে স্পেন ছিল মুসলিমদের দেশ। এইদেশটি মুসলিমদের নিয়ন্ত্রনে ছিল প্রায় আট শতবছর। ক্রসেড-রা দীর্ঘ দিন ধরে স্পেনকে নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছিল।এজন্য তারা ধম যুদ্ধের নামে বিভিন্ন সময়স্পেনে আক্রমন করত। কিন্তু স্পেনের মুসলিমদের সাথে যুদ্ধকরে তারা বরা্বই পরাজিত হত।মুসলিমরা এই দেশটাকে এতটাই আধুনিকভাবে সাজিযে ছিল যা ছিল সত্যিই অসাধারন। আজও স্পেনের সেই শহরগুলো এক একটি অপূর্বঐতিহাসিক নিদশন। যাহা মানুষকে এখনও মুগ্ধ করে।মুসলিমরা ভালইছিল স্পেনে। কিন্তুএকটা পর্য়ায়ে মুসলিমরা ইসলামে হতে দুরে সরে যেতে লাগল।তাদের ইসলাম প্রচার প্রসার ও ইসলাম পালনেরপ্রতি অনিহা বাড়তে লাগলএবং তারা দুনিয়ামুখি হযে গেল এবং একপয়ায়ে মুসলিমদের ইমানের অবস্থা খুবই শোচনীয়হয়ে পড়ল। ঠিক এমন এক সময়খ্রিষ্টানরা মুসলিমদের উপর আবারও আক্রমন করল।যদিও কিছুমমুসলিম বীর ও তাদের সাথিরা চরমভাবে আক্রমনকে প্রতিহত করলএবং ক্রসেড বাহিনীকে প্রায় পরাজিতকরে ফেলেছিল। কিন্তু শেষরক্ষা আর হলো না। এক্ষেত্রে খ্রিষ্টানরা(ক্রসেড)মিথ্যা কৈাশলঅবলম্বন করল। তারা প্রচার করতে লাগল যে স্পেইনএখন তাদের দখলে। এবং তারা ঘোষনা দিয়ে দিল।

যে সকলমুসলিমরা মিসজিদে আশ্রয় নিবে এবং সমুদ্রগামী জাহাজে আশ্রয়নিবে তারা নিরাপদ। দূবল ইমানেরমুসলিমরা শত্রুদের কথা মতো কাজকরল। তারা মসজিদ ও জাহাজে আশ্রয় নিল।পরে ক্রসেড বাহিনী সকল মসজিদকে তালা বদ্ধকরল, এইবলে যতে মুসলিমরা নিরাপদে থাকে।পরে তারা সকল মসজিদ গুলোতে আগুনধরি্য়ে মুসলিমদের পুড়িয়ে হত্যা করল। আর জাহাজগুলোকে তার ডুবিয়ে দিল। এভাবে স্পেনথেকে মুসলিমদের পরাজিতকরল এবং সেখানে এমন একজন মুসলিমও ছিলনা যে কিনা আজানদিবে।

যখন স্পেনের আকাশ বাতাস মুসলিমদের চিৎকারে কেঁপে উঠেছিল। তখন রাজা ফার্নিলেন ও রাণী ইসাবেলা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল হায়_বোকা_মুসলমান! (April_Fool)। সেই থেকে খৃষ্টানরা এই দিনটিকে বোকা_দিবস হিসেবে পালন করে। বিগত ৫০০ বছর স্পেনে কোন আজান হয়নি।মাত্র বছর ২আগে আজানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।আর এভাবে এপ্রিল মাসে মুসলিমদেরবোকা বানিয়ে পরাজিত করেছিল। মুসলিমদের এইপরাজয়কে স্বরন করে খ্রিষ্টানরা এপ্রিল ফুল পালনকরে থাকে। আর আমরা মুসলিমরা এখনও বোকার মতএপ্রিল ফুলপালন করে নিজেদেরকে আরো বোকা হিসাবেপরিচয় দিয়ে থাকি।আসুন এটাকে আমরা পরিহার করি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category