বুধবার, জানুয়ারি ১, ২০২০




আজ রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদের জন্মদিন

 

মো. নাছির উদ্দীন: আজ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের ৭৭তম জন্মদিন। ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী ব্যক্তি। তিনি নিকলী জিসি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করেন। পরে কিশোরগঞ্জ সরকারি গুরুদয়াল কলেজ থেকে এইচএসসি ও বিএ পাশ করেন। সে সময় সরকারী গুরুদয়াল কলেজের ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন মো. আবদুল হামিদ। পরে ঢাকা ল’ কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। কিশোরগঞ্জ বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন বেশ কয়েকবার।

দাম্পত্য জীবনে তিনি স্ত্রী মোছাঃ রশীদা হামিদের সাথে সংসারধর্ম পালন করছেন। রশীদা হামিদও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। তাঁরা তিন ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক-জননী।

মো. আবদুল হামিদ তিনি ১৯৯৬ সালের ১৪ জুলাই থেকে ২০০১ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত সপ্তম জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অষ্টম জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতার দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত নবম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের অসুস্থতাজনিত কারণে তাঁর মৃত্যুর ৬ দিন পূর্বেই ২০১৩ সালের ১৪ মার্চ এ্যাডভোকেট মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তারপর সবার কাছে সমান জনপ্রিয় গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে ২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপ্রতি নির্বাচিত হন মো. আবদুল হামিদ। এরপর ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি (ব্যক্তি হিসেবে ১৭তম) হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে পূনরায় নির্বাচিত হন এই জনপ্রিয় ব্যাক্তি।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য ২০১৩ সালে স্বাধীনতা দিবস পদকে ভূষিত করা হয় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে।

ছাত্রজীবন থেকেই মো. আবদুল হামিদ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এরপর তিনি জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ হিসেবে। কিশোরগঞ্জ থেকে সাতবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন এই জনপ্রিয় ব্যক্তি।

রাজনৈতিক জীবনে সততা ও নিষ্ঠার অনন্য প্রতীক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এখনো কিশোরগঞ্জে নিজ এলাকার মানুষের খুব কাছাকাছি থেকে পশ্চাৎপদ জনপদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষেরও যে কোনো প্রয়োজনে সর্বদা নিজ সামর্থ্যরে সবটুকু দিতে সচেষ্ট তিনি। সব মানুষের হৃদয়-নিংড়ানো ভালোবাসায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সুদীর্ঘকাল বেঁচে থাকুন। জন্মদিনে এমনই প্রত্যাশা দেশবাসীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category