বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯




আইজিপি ব্যাজ পাচ্ছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত এসপি আবু ইউছুফসহ ৫০১জন পুলিশ সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫০১জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য পাচ্ছেন পুলিশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘আইজিপি’স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ’।

৪ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য পুলিশ সপ্তাহের শেষ দিনে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী এই পুরস্কার প্রদান করবেন। ৩১ জানুয়ারি পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক আদেশে পদকপ্রাপ্তদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। পদকের জন্য নির্বাচিতদের ৪ ফেব্রুয়ারি রাজারবাগ পুলিশ গ্রাউন্ডে উপস্থিত হয়ে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। আইজিপি ব্যাজ পদকের পাশাপাশি এবার ১০ হাজার টাকা আর্থিক মূল্যমানের পুরস্কারও পাবেন এসব পুলিশ সদস্যরা।

২০১৮ সালে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা বিধান, জনসেবামূলক কর্মকান্ড, মামলার রহস্য উদঘাটন, ভালো পুলিশিং, সরকারি ও ব্যক্তিগত কাজের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি বাড়ানোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অবদানের ভিত্তিতে পদকের জন্য যোগ্য কর্মকর্তা ও সদ্যস্যদের নির্বাচিত করা হয়েছে। এবার এসপি পদ থেকে কনস্টেবল পর্যন্ত ৫০১জন পুলিশ সদস্যকে মোট ৬টি ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে এ ক্যাটাগরিতে ১৪৩ জন, বি ক্যাটাগরিতে ১৫৯, সি ক্যাটাগরিতে ৮৩ জন, ডি ক্যাটাগরিতে ১৫ জন, ই ক্যাটাগরিতে ৬৫ জন এবং এফ ক্যাটাগরিতে ৩৬জন পুলিশ সদস্য পুরষ্কার পাবেন।

পুরষ্কারপ্রাপ্তরা মনে করছেন, এই পুরষ্কার জনসেবার কাজে আরো উৎসাহিত করবে বলে পুরষ্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন কর্মকর্তা হলেন- ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এডিসি মো. নাজমুল ইসলাম, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত এসপি আবু ইউছুফ, কুমিল্লার দ্বেবিদার সার্কেলের অতিরিক্ত এসপি শেখ মো. সেলিম, কেএমপির দৌলতপুর জোনের অতিরিক্ত এসপি শেখ ইমরান প্রমুখ। এর আগে, ২০১৮ সালে ৩২৯জন ও ২০১৭ সালে ২৮৮জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য ‘আইজিপি’স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ’ পান।

অাবু ইউছুফ এর গ্রামের বাড়ী চাঁদপুেরর মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দী ইউনিয়নে। শিক্ষা জীবন শেষকরে তিনি ঢাকার শামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজে ইংরেজী বিষয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। বেশ কিছুদিন শিক্ষকতার পর বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হিসাবে যোগদানের মাধ্যমেই তাঁর নতুন এই কর্মজীবনের শুরু। ৪ভাইয়ের বাকী ৩জন মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইংরেজী বিষয়ে শিক্ষকতা করেন। যেহেতু তিনি নিজেও ইংরেজী বিষয়ে শিক্ষকতা করেছেন সেহেতু বলাই চলে ৪ভাই-ই ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষক। খোজ খবর মতে, সততার মাঝে জীবন যাপনে সীমিত উপার্যনের কারেন কিছুদিন পূর্বেও তিনি ইংরেজী বিষয়ে প্রাইভেট পড়াতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category